চেক জালিয়াতি মামলায় এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিনের পরিবারের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিন তেলের ডিও বাবদ হোসাইন এন্ড ব্রাদার্স থেকে বিভিন্ন মেয়াদে টাকা নিয়ে আত্নসাত করেন।তার সাথে অসংখ্য বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি টাকা ফেরত দেন নি এমনকি তেল ও দেননি।

তাই শাহাবুদ্দিনের এস এ গ্রুপের মালিকানাধীন চেকগুলো ডিজঅনার করে কোর্টে চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করা হয়।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা গুলো লক্ষ্য করে দেখা যায়,এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা গুলো গত বছরের জুলাইয়ে কোর্ট থেকে জারি করা হলেও শাহাবুদ্দীন টাকা দিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানা বের করতে দেন নি।

বিশ্বস্ত সুত্র থেকে জানা যায়,শাহাবুদ্দীন কে এই কাজে সহযোগিতা করেছেন তৃতীয় মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট কোর্টের পেশকার তারেক।

বাদী পক্ষ বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করলে এই বছর জানুয়ারীতে কোর্ট থেকে বন্দর থানায় শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী মিসেস ইয়াছমীন আলম,শাহাবুদ্দীনের সন্তান সাজ্জাদ আরেফীন আলম,শাহরিয়ার আরেফীন আলম,শাহাবুদ্দীনের ভাই মনজুর আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়।

এবং খুলশী থানার শাহাবুদ্দিনের মা মিসেস লায়লা বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়।

বাদী পক্ষ শাহাবুদ্দিনের মা,স্ত্রী,সন্তান,ভাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন এই মর্মে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইমিগ্রেশনে পাঠানোর জন্য পিটিশন দিলে কোর্ট সেটি নথিজাত করেন।

বাদী পক্ষ প্রশাসন থেকে পক্ষপাতবিহীন অবস্থা নিয়ে আসামি দের দ্রুত গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এস এ গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদক,খাদ্য মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্নসাত,চেক জালিয়াতি,প্রতারণা ও নিম্ন মানের খাদ্য সামগ্রী বাজারে ছাড়ার জন্য অসংখ্য মামলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান সমুহ দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত না পেলে আরো কঠিন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা যায়।