শঙ্খ নদীর তীরে
তুমি আসবে বলে, খুঁজে ফিরি নদীর ধারে ধারে,
দাঁড় নৌকা, পাল নৌকা, আসছে নদীর তীরে,
যাত্রীরা সব হুড়োহুড়ি, নৌকা গুলো ঘিরে,
দেখছি নাতো তোমাই আমি, বুক ধড়ফড় করে,
শঙ্খ নদীর তীরে।
শঙ্খ নদীর তীরে
হাঁটছি একা একা, ছিল না কোন সাথি,
এইভাবে মোর পথচলা, কাটছে দিবা-রাতি।
সামনে হাঁটছি, ফিরব কী পিছনে? ভুগছি দোটানায়,
ইচ্ছে করে আকাশ পানে, উড়ব অজনায়,
উজান-ভাটির নদীর পাড়ে শঙ্কায় ধরেছে ঘিরে,
শঙ্খ নদীর তীরে।
শঙ্খ নদীর তীরে,
যতদূর আমি দিচ্ছি পাড়ি, দেখছি বালুচর,
কৃষকের ক্ষেতে ফুল-ফল ধরেছে, কতই না উর্বর,
শুনেছি আমি নদীর মাঝে, দুঃখ বহমান,
দুঃখ গুলো মিলে একাকার, ভুগছি অপমান,
দীর্ঘ আশার স্বপ্নগুলো আশাহত হয়ে পড়ে,
শঙ্খ নদীর তীরে।
শঙ্খ নদীর তীরে,
দিন যায় বছর পেরিয়ে, ছেড়েছি নিজের ঘর,
সময় গড়িয়ে দীর্ঘ দিনের, প্রতিক্ষার প্রহর,
কঠিন মায়া স্রোতের মাঝে, হারিয়েছে বিশ্বাস,
বিদায় বলি পৃথিবীকে, যবে বন্ধ হবে নিঃশ্বাস,
আমি নয় শুধু, সবাই দিবে পাড়ি, পৃথিবীর মায়া ছেড়ে,
শঙ্খ নদীর তীরে।