মাতারবাড়ীতে ৬৪ হাজার টন কয়লা নিয়ে ভিড়ল বড় জাহাজ

 

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিতে কয়লা নিয়ে আজ শুক্রবার সকাল ৭ টার দিকে বিশালাকার আরেকটি জাহাজ ভিড়েছে। ইন্দোনেশিয়া তারাহান বন্দর থেকে আসা মার্শাল আইলেন্ট পতাকাবাহী এমভি মন্ডিয়াল সান নামের জাহাজের ড্রাফট বা পানির নিচের অংশে রয়েছে ১২ মিটার। এতবড় জাহাজ গভীর সমুদ্র বন্দর ছাড়া অন্য কোনখানে ভিড়া সম্ভব নয়।

এর আগে আরো ৬টি বড় জাহাজ ভেড়ানোর রেকর্ড ছিল মাতারবাড়ি জেটিতে।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে এখনো চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। তবে দেশের সবচেয়ে গভীরতম কৃত্রিম নৌপথ তৈরি হয়েছে। এই নৌপথের সুবিধা নিয়ে বিশালাকার জাহাজটি ভেড়ানো হলো আজ। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিতে বড় জাহাজ ভেড়ানোর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রবন্দরের সুবিধা কিছুটা হলেও পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

মাতারবাড়ীতে ভেড়ানো জাহাজটি এসেছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। জাহাজটিতে রয়েছে ৬৪ হাজার ৯৩ মেট্রিক টন কয়লা। মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই কয়লা ব্যবহার হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিটিতে জাহাজ ভেড়ানোসহ নৌপথের সব সহায়তা দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জিপি শিপিং লাইন্স এ কর্মরত শাহীন বলেন, জাহাজ ০৮.২৪ মিনিটের সময় জেটিতে ভিরে চারটি টাকবোটের সাহায্যে জাহাজটিকে জেটিতে নিয়ে আসে।

 

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন আতাউল হাকিম সিদ্দিকী বলেন, মাতারবাড়িতে কয়লা নিয়ে ২৫ এপ্রিল বড় আকারের প্রথম জাহাজ আসে। এরপর মে মাসে আরও চারটি জাহাজ আসে। জুলাই মাসে ৬ষ্ট জাহাজ ভিড়ে। এখন থেকে বড় জাহাজ ভেড়ানোর ফলে ২০২৬ সালে চালুর অপেক্ষায় থাকা গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনালের জন্যও তা সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

 

কোরিয়ান ট্রনসলেটার এ কর্মরত ওয়াহিদুর রহমান বলেন, আজ সকালে ৬৪ হাজার ৯৩ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে বড় একটি জাহাজ ভিড়েছে। আমরা ৩ দিনের মধ্যে জাহাজ ডিসারসিং শেষ করতে পারব, যদি আবহওয়া ভালো থাকে।