এস এম হারুন উর রশীদের কবিতা “লজ্জা “

 

সেই তো মানুষ, তবুও লজ্জা খেয়েছে যেন অমৃত,
লজ্জা থাকা আবশ্যক, যদি মানব তুমি প্রকৃত।
আত্মাকেও শান্তি দে, লজ্জা সেতো আবেগ,
লজ্জা নেই তো সবই শূন্য, নেইতো তাহার বিবেক।

 

বাদ্যযন্ত্রের শব্দ তরঙ্গে, লজ্জা বিশেষ ভঙ্গিমায়,
মনুষ্যের কোলাকুলিতে, পকেট ভারীর অপেক্ষায়।
লজ্জা নেইতো উলঙ্গ মস্তক, বিচুর্ন অহংকার,
অপমানের নয়তো কিছু, মনুষ্যত্বের অলংকার।

 

মাথাই টুপি, সাদা পাঞ্জাবি, কেন ধরেছ ভং,
কেয়ামতের মাঠে পুলসিরাতে ধ্বংস হবে সং।
আসল লজ্জা, অস্থিমজ্জায় প্রকাশ হবে তখনি,
ঐদিন তুমি, লোলুপ হায়েনার জোড়া চোখের চাহনি।

 

মসজিদে যাওয়া, নামাজ পড়া, সবই উত্তম কর্ম,
পরিত্যাজ্য বাটপারি, শুদ্ধ হওয়াই আসল ধর্ম।
দিন, মাস, কয়েক বছর, অতিবাহিত লজ্জাহীন,
মানব রূপে পুনঃ জন্ম হবে, পূর্ণ হোক হকের ঋণ।