প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, আমেরিকা তাকে ভিসা দেয়নি বা দুবাই থেকে তাকে ফেরত দিয়েছে এটা মিথ্যা কথা।
মঙ্গলবার (১১ জুলাই) রাজধানীতে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি এই কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, আমি দুবাই যাইনি, আমেরিকা তো দূরের কথা।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, আজ বিরোধীরা নানা কথা বলছেন, শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দেয়ার কথা বলছেন। আগেও অনেকগুলো তারিখ দিয়েছেন কিন্তু কিছুই হয়নি। এখন তারা স্যোসাল মিডিয়াতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন। যেটি তাদের দুর্বলতার একটি পরিচয়। তারা যখন দেখছেন গণতান্ত্রিকভাবে শেখ হাসিনাকে মোকাবিলা করতে পারছেন না তখন এমন প্রচার শুরু করেছেন। এমনকি আমার সম্পর্কেও বলেছে, আমাকে না কি আমেরিকা ভিসা দেয়নি। অথচ আমি মনে করি বাংলাদেশের মধ্যে যাদের সঙ্গে মার্কিন সরকারের ভালো সম্পর্ক রয়েছে তার মধ্যে আমি একজন। আমার ভিসা বন্ধ করে দেয়ার তথ্য মিথ্যা। বিরোধীরা এখন ডেস্পারেট হয়ে গেছেন। মিথ্য তথ্য প্রচার ছাড়া তারা এখন আর কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না।
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘বিএনপি অনেক জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন করেছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দাবি জানিয়ে অনেক ডেট (তারিখ) দিয়েছে- শেখ হাসিনার সরকারকে যেমন করেই হোক ক্ষমতায় থেকে নামিয়ে দেবে। হাস্যকর বিষয় হলো তাদের আন্দোলন, দাবি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতা রয়েই গেছেন।’
সম্প্রতি বিদেশিদের বাংলাদেশে সফরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, ‘বিএনপির কথার সঙ্গে বিদেশিদের কথার কোনো মিল নেই। বিএনপি দাবি করছে, ‘‘আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাব না।’’ কিন্তু বিদেশিরা বলছে, ‘‘আমরা তত্ত্বাবধায়ক নয়, আমরা চাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।’’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই প্রস্তাবে রাজি আছেন। আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশ থেকে নির্বাচন অবজার্ভ (পর্যবেক্ষণ) করতে বিদেশ থেকে লোক আসছে। আমরাও তাদের সহযোগিতা করছি।’’
সালমান এফ রহমান বলেন, যারা নির্বাচন হতে দেবে না তাদের লিস্ট মার্কিন সরকারের কাছে দেবে আওয়ামী লীগ।
নির্বাচন বানচালের শক্তি বিএনপির নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনে বাধা দিলে বিএনপির বিরুদ্ধেই মার্কিন ভিসানীতি কার্যকর হবে। বিএনপি গোপনে গোপনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।