সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ৪৬টি ইসলামী দলের সমন্বয়ে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী দল সমূহ’। শুক্রবার বাদ জুম্মা এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর, কাকরাইল হয়ে কালভার্ট রোডে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন মাজলিসে সাদরাতের সদস্য আল্লামা আবু তাহের জিহাদী।
আবু তাহের জিহাদি বলেন, সুইডেনে কুরআন মাজিদ পোড়ানো ও অবমাননা করে চরম বেয়াদবি করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। জীবন বাজি রেখে হলেও কোরআনের মর্যাদা রক্ষা করতে আমরা সদা প্রস্তুত রয়েছি। সুইডেন যদি এঘটনায় ক্ষমা না চায় তাহলে অচিরেই সুইডেন দূতাবাস ঘেরাও করা হবে। বিশ্বের দেশে দেশে যেখানেই কোরআনের বিরুদ্ধে কেউ কটুক্তি করবে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সম্মিলিত ইসলামী দল সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দল গুলো হলো- খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন পরিষদ, সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদ, জাতীয় ইমাম সমিতি, জাতীয় খতিব পরিষদ, আইম্মা পরিষদ, খেলাফতে রাব্বানী, নাস্তিক মুরতাদ প্রতিরোধ কমিটি, ইসলামী জনতা বাংলাদেশ, ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ, আহকামে শরিয়াহ হেফাজত কমিটি, জাতীয় সিরাত সা. কমিটি, কুরআন- সুন্নাহ পরিষদ, বাংলাদেশ কুরআন গবেষণা কেন্দ্র, খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ, তালিমুল কুরআন সংস্থা, উলামায়ে দেওবন্দ পরিষদ, প্রগতিশীল ইসলামিক পার্টি, বাংলাদেশ ভাসানী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইমাম সমিতি।
সমাবেশে আলেম ওলামা নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৮ জুন সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে পবিত্র কোরআন পোড়ানো হয়। এ ঘটনা বাংলাদেশসহ বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। কোরআনের অবমাননা যারা করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আমরা দাবি করি। আমরা মনে করি সুইডেনে কোরআন পোড়ানো হয়নি, বিশ্বের মুসলমানদের হৃদয় পোড়ানো হয়েছে। এই ঘটনায় গোটা বিশ্বের মুসলমানদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা এটা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছি না। কোরআনের অবমাননা কোনো মুসলমানদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাই আমরা এর প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছি।