সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান ও জাহাঙ্গীর কবির নানকও ঈদ করবেন ঢাকায়।সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আবদুর রহমান ঈদ করবেন নিজ এলাকা ফরিদপুরে। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ঈদ করবেন নিজ নির্বাচনি এলাকা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের সুখবিলাস গ্রামে। আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ঈদ করবেন তার নির্বাচনি এলাকা কুষ্টিয়ায়। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে ঈদ করবেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ঈদ করবেন ঢাকায়। আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ঈদে চাঁদপুরে অবস্থান করবেন। সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও আহমদ হোসেন ঈদ করবেন নিজ নির্বাচনি এলাকায়। আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর নিজ নির্বাচনি এলাকা তিতাসে ঈদ করবেন। দলটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন নিজ নির্বাচনি একালায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ করবেন। উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান ঈদে ঢাকায় থাকছেন। এবার ঈদে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি অসহায়, দুস্থ এবং গরিবদের সাহায্য করার নিদের্শনা রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের উন্নয়নের চিত্র জনগণের মাঝে তুলে ধরতে বলা হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, গত ২২ জুন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক বৈঠকে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতা ও এমপিদের নিজ নিজ এলাকায় যেতে বলেছেন। তিনি বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত চ্যালিঞ্জিং হবে। আপনার যার যার এলাকায় যান। এরই প্রেক্ষিতে এবার বেশিরভাগ নেতা ঈদুল আজহায় নিজ এলাকায় যাবেন। ইতিমধ্যে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই ঢাকা ছেড়েছেন। আবার অনেকে ঈদের দিন ঢাকায় নামাজ আদায় করে এলাকায় যাবেন। তবে কোনো কোনো নেতা ঢাকায় ঈদ করবেন। কারণ এবারের ঈদুল আজহা নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।